| |
               

মূল পাতা শিক্ষাঙ্গন তরুণ নেতৃত্বের ভাবনায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু


তরুণ নেতৃত্বের ভাবনায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু


জবি প্রতিনিধি     25 June, 2022     12:14 PM    


পদ্মা সেতু যেন কোটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন। ২৫ শে জুন পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন দেশরত্ম শেখ হাসিনা।পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে চারিদিকে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপভোগ করতে বুয়েটসহ দেশের কিছু প্রতিষ্ঠানে ২৫ শে জুন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে তাহলে বুঝতেই পারছি পদ্মা সেতু আমাদের হৃদয় নিংড়ানো এক ভালোবাসার নাম। পদ্মা সেতু আমাদের কাছে এক আবেগের নাম।৷ পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে উপকৃত হবে ২১টি জেলার মানুষ।বাচবে মানুষের সময়। আজ পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে এ দেশের তরুণ নেতৃত্ব কিভাবে মূল্যায়ন করবে বাংলাদেশের এই বিশাল মাইলফলককে। পদ্মা সেতু নিয়ে কি ভাবছে আমাদের তরুন নেতৃত্ব কি তাদের আশা কি তাদের অভিব্যক্তি। তাদের কথাগুলো পাঠকদের সামনে তুলে ধরেছেন ক্যাম্পাস সাংবাদিক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু হানিফ।


স্বপ্নের পদ্মা সেতু: বাঙালির গৌরব
মিঠুন বাড়ৈ
সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আত্মমর্যাদা,স্বনির্ভরতা,সাহস ও সাফল্যের প্রতীক! বাংলাদেশের উন্নয়ন ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে যে দুটি নাম সমুজ্জ্বল হয়ে ধরা দেবে সে দুটি নাম সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। অত্যাচারিত নির্যাতিত একটি জাতিকে শোষকের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত করে, সে জাতিকে স্বাধীন করার এবং যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশকে সুদক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবার যে সাহস তার পুরোটাই এসেছিলো বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে। এরই ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবদান রেখে চলেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। আর সেই উন্নয়ন ধারায় যুক্ত হয়েছে আরো একটি নাম ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু’। যার পুরোটাই আজ দৃশ্যমান বাস্তব।

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পর থেকেই স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা নানামুখী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তা বানচাল করার চেষ্টা করে গেছে। আন্তজার্তিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ কর্মসূচি স্থগিত করেছে। তবে থেমে যাননি জনগণের আশার একমাত্র বাতিঘর শেখ হাসিনা, জনগণকে এক মুহুর্তের জন্যও নিরাশ হতে দেয়নি। নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মাসেতু বাস্তবায়নের যে চ্যালেঞ্জ, তা সফল করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। দেশের ২১ টি জেলার মানুষের যোগাযোগ দুর্ভোগ লাঘব করবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। অর্থনৈতিক খাতে অন্যরকম মাত্রা আসবে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে। দেশ এগিয়ে যাবে বিদ্যুৎ গতিতে।স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা আজ দেখে নিক, ৭৫ এর ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করেও তারা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বিনষ্ট করে দিতে পারেনি। বরং সেই স্বপ্নকে লালন করে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে মাদার অফ হিউম্যানিটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জয়তু দেশরত্ন শেখ হাসিনা।


  নিজস্ব অর্থায়নের স্বপ্ন আজ বাস্তব
  ফিদা জে হোসাইন রাহাত
  সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।

পৃথিবীর দ্বিতীয় খরস্রোতা ও শক্তিশালী নদী পদ্মা। দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি মানুষের আবেগ অনুভূতির নাম হচ্ছে পদ্মা সেতু।খরস্রোতা পদ্মা নদী পাড়ি দিতে গিয়ে স্বজনহারানো মানুষ জানে পদ্মা সেতু কি!আগামী ২৫ জুন দক্ষিণবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন পূরণের দিন। এই পদ্মা সেতুকে নিয়ে বিএনপি-জামাতের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্রের ডালপালা মেলার আগেই এই ষড়যন্ত্রের নাড়ি-নক্ষত্র বুঝতে অসুবিধা হয়নি মানবতার মা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার। বাঙালির কপালে ‘দুর্নীতির’ কলঙ্ক চিহ্ন এঁকে দেয়ার নীলনকশা কোনোভাবেই আঁকতে দেয়নি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা কারন তার কাছে তার কাছে বাংলাদেশের অসম্মান মানে বঙ্গবন্ধুর অসম্মান। সততা আর দেশপ্রেম দিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়ে আজ স্বপ্নের পদ্মা সেতু শুধু গল্পের ফুলঝুরি নয় বাস্তবায়িত। মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছিলেন- যেখানে বিশ্ব ব্যাংক একটি টাকাও ঋণ ছাড় দেয়নি- সেখানে দুর্নীতি হয় কীভাবে? পদ্মা সেতু নিয়ে পানি কম ঘোলা হয়নি, ষড়যন্ত্রকারীরা চেয়েছিল শেখ হাসিনার শাসনামলে যাতে এ বিশাল সেতু নির্মিত না হয়। তাদের মনোবেদনা ছিল সত্যি সত্যি যদি শেখ হাসিনার সরকার এ সেতু নির্মাণ করতে সমর্থ হয় তাহলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার প্রায় ৪ কোটি মানুষের জীবনযাত্রাই বদলে যাবে। দেশের অর্থনীতিতে এ সেতু রাখবে বিরাট ভূমিকা- একই কারণে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা এবং তার সরকারের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে বহুগুণ। আর তাই শুরু থেকেই দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রে মত্ত ছিল এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী সেই বিএনপির কুলাঙ্গারেরা। সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জয়তু দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

 


পদ্মা সেতু দেশের যোগাযোগে জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ
জিনিয়া আফ্রিন
সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

পৃথিবীতে অসংখ্য সেতু রয়েছে। দৈর্ঘ্যের দিক বিবেচনায় পদ্মা সেতু হতে যাচ্ছে বিশ্বের ১২২তম দীর্ঘ সেতু। সুইডেনের অল্যান্ড ব্রিজকে পেছনে ফেলে এই জায়গা দখল করে নিলো পদ্মা সেতু। “একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার” এই স্লোগানেরই বাস্তবায়ন এই পদ্মাসেতু। ১৯৭১ সালে বাঙালি যেমন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছিলো,অনেক চড়াইউৎরাই পার করে ঠিক স্বাধীনতায় পঞ্চাশ বছর পর বাঙালি তেমনি এক বিপ্লব ঘটালো নিজস্ব অর্থে ‘পদ্মা সেতু’র মতো একটা সেতু তৈরি করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘আওয়ামী লীগ’ নামক সংগঠনটিকে তাঁর নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সংগঠিত রেখে দীর্ঘ নয়মাস যুদ্ধ করে যেমন এদেশকে শত্রুমুক্ত করে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তেমনই ভাবে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা ‘আওয়ামী লীগের’ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দক্ষ নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা বাংলাদেশের জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার সবচেয়ে বড়ো প্রমাণ এখন জনগণের অর্থায়নে তৈরি পদ্মা সেতু। পদ্মা বহুমুখী সেতু দেশের যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বলে বিবেচিত হচ্ছে। মাওয়া-জাজিরা পয়েন্ট দিয়ে নির্দিষ্ট পথের মাধ্যমে বাংলাদেশের কেন্দ্রের সাথে দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সরাসরি সংযোগ তৈরি করেছে। এই সেতুটি অপেক্ষাকৃত অনুন্নত অঞ্চলের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিল্প বিকাশে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখবে। প্রকল্পটির ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৪৪,০০০ বর্গ কিঃমিঃ (১৭,০০০ বর্গ মাইল) বা বাংলাদেশের মোট এলাকার ২৯% অঞ্চলজুড়ে ৩ কোটিরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে।দক্ষিণ বঙ্গের ২১টি জেলা সরাসরি ঢাকার সাথে যুক্ত হওয়ার ফলে এসব জেলার মানুষের জীবনমানের উন্নতি ঘটবে। সেতুটিতে ভবিষ্যতে রেল, গ্যাস, বৈদ্যুতিক লাইন এবং ফাইবার অপটিক কেবল সম্প্রসারণের ব্যবস্থা রয়েছে। সেতুটি বাংলাদেশের জিডিপি ১.২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্রকে পিছনে ফেলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তাঁর স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে আজ বাস্তব রুপ দিয়েছেন।যেটা আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে বড়ো সাফল্য।একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার মনোবলই এই স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দিতে সক্ষম হয়েছে। তাই যতদিন জাতির জনক কন্যার হাতে আছে দেশ,এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।


 পদ্মা সেতুঃ”শেখ হাসিনার সাহসিকতার মহাকাব্য”
 হাসিবুল হাসান হৃদয়
 সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

একদিকে খরস্রোতা পদ্মার আগ্রাসী আচরণ অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসে চির ধরার মতো নানা সমালোচনা-কটুবাক্য,মিথ্যাচার।আর এসবের উপর দাঁড়িয়ে একটি আত্মবিশ্বাসী কন্ঠের দৃঢ় স্বর নিজস্ব অর্থেই আমরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করবো।সেই দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় প্রমত্তা পদ্মায় লেখা হলো সাহসিকতার মহাকাব্য-নির্মাণ হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতু।আর এই সাহসিকতার ধারক,স্বপ্নের বাহক তিনি একজনই-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কেউ বলেছিলো-প্রমত্তা পদ্মায় সেতু সম্ভব নয়,কারো চেষ্টা ছিলো পদ্মা সেতু যেনো আওয়ামী লীগের আমলে না হয়।এরপর কত গুজব সৃষ্টি,ষড়যন্ত্র হলো কিন্তু শেখ হাসিনার চ্যালেঞ্জ এবং সাহসী ঘোষণায় কোন কিছুই পদ্মা সেতু নির্মাণে বাঁধা হতে পারে নি। এখন শুধু সরকার বা কোন দল নয়,পুরো দেশ,গোটা জাতির গর্বের বিষয় পদ্মা সেতু।আসলে সমালোচনাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী বুঝতে পারেনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মবিশ্বাস পাহাড় সমান। ঠুনকো সমালোচনা করে শেখ হাসিনাকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। শত বাঁধা-বিপত্তি আর প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েও দৃঢ় সাহসিকতার সাথে নিজেকে অটল রেখেছিলেন পদ্মা সেতু নির্মাণে।  সব কিছু ভেদ করে এখন বিজয়ের হাতছানি দিচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু।

বিশ্বকে জানান দেওয়া হচ্ছে বাঙালির সক্ষমতা ও সমার্থ্যের কথা। বাঙালি জাতি মাথা নত করার নয় সেটা আবারও পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে প্রমাণ করে দিলেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। দুর্নীতি চেষ্টার ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংকের মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, রাজনৈতিক মতভেদ, গুজব, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা প্রতিবন্ধকতা জয় করে প্রমত্তা পদ্মার বুকে এখন মাথা উচুঁ করে সগৌরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে দেশের ইতিহাসের দীর্ঘতম সেতু। সক্ষমতার এই সেতু বলে দেয় শেখ হাসিনা যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা। পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার অসীম সাহসের সোনালী ফসল। আর বাঙালির আত্মসম্মান আর আত্মগৌরবের প্রতীক। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের হার না মানার গল্প।


❝পদ্মা সেতু অর্থনৈতিক শক্তির মাইলফলক❞
রিফফাত সাঈদ
সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু সেতু গতি এনেছিলো উত্তরঅঞ্চলের মানুষের জীবনে, কিন্তু দক্ষিণে তা ঘটে নি।একটি সেতুর অভাবে মানুষ স্বপ্ন দেখেছে এক দশকের বেশি সময়ে। তবে সব শঙ্কা ছুড়ে ফেলে অবশেষে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে স্বপ্ন কাঠামো, দেশের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে চাঙ্গা দেশীয় অর্থনীতিতে সবার অপেক্ষা ভাগ্য বদলের। পদ্মা সেতুকে ঘিরে বিনিয়োগের প্রভাব পরেছে দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের উপজেলার শহরগুলোতেও। যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে জমি কেনার প্রভাব। ঢাকা ও মাওয়া প্রান্তে শেষ হয়ে যাওয়ায় মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে ভিড় করেছে শিল্প উদ্যোগতারা, পাশাপাশি এখানে ব্যাবসার পরিধি বড় করতে চান ছোট বড় উদ্যোগক্তারা। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে যে বিশ্বব্যাংক সরে গেছে পদ্মা সেতুর সম্ভাবনার কথা উঠে আসে তাদের গবেষণাতেই,সেতূ হলে জাতীয় জিডিপির হার ১% বাড়বে। প্রতি বছর চাকুরী পাবে ৭ লাখ মানুষ দক্ষিনাঞ্চলে প্রতি বছর দারিদ্র্যতার হার হ্রাস পাবে ১% গতি বাড়বে মংলা বন্দরে।পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালু হলে এর অর্থনৈতিক প্রভাব আরো বৃদ্ধি পাবে।বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলো নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হবে। আইফেল টাওয়ার, বুর্জ খলিফা, অপেরা হাউস যেমন বিভিন্ন দেশের ব্রান্ডিং তেমনি বাংলাদেশের ব্রান্ডিং হচ্ছে “পদ্মা সেতু”। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে এবং সাহসিকতায় দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় করে বাংলাদেশের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়ালো ❝স্বপ্নের পদ্মা সেতু।